বিশেষ খবর

সুচিন্তা ও সুস্থ আচরণের মাধ্যমে বিশেষ মানুষ হয়ে সুস্থতা ও শতায়ুলাভ-৪৬

ক্যাম্পাস ডেস্ক বিশেষ নিবন্ধ

মৃত্যুঞ্জয়ী রেশমা
সাভারের রানা প্লাজা ধসের ১৭তম দিনে গার্মেন্ট কর্মী রেশমাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ভয়ঙ্কর ধ্বংসস্তুপের ভেতর আটকা অবস্থায় ১৭ দিন বেঁচে থাকার এ ঘটনা দেশ-বিদেশের মানুষকে বিস্মিত করে। রেশমার ভাষ্যমতে- সে যেখানে আটকা পড়েছিল, সেখানে ৩-৪টি পানির বোতল পায়। সেই পানি এবং সহকর্মীদের ফেলে যাওয়া খাবার খেয়ে ১৫ দিন পার করে। এরপর পানি বা খাবার ফুরিয়ে গেলেও সে বাঁচার আশা ছাড়েনি, সর্বক্ষণ আল্লাহকে ডাকতে থাকে।
রেশমার এই বেঁচে থাকার পেছনে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে, তা হলো তার বজ্রকঠিন মনোবল এবং অসীম সাহস। সে সর্বক্ষণ নিজের মনোবল ধরে রাখার চেষ্টা করেছে; নিজের মনন ও চিন্তায় পজিটিভ এটিচিউড সুদৃঢ় রেখেছে। আর একটি বড় বিষয়, যা রেশমাকে জীবিত ফিরতে সহায়তা করেছে তা হলো- Matching capacity বা Adjustment capacity. অর্থাৎ প্রতিকূল পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়া, পরিস্থিতির বাস্তবতার সাথে মানিয়ে চলা। যে স্থানে রেশমা আটকা পড়েছিল সেখানে এত দীর্ঘসময় বেঁচে থাকা দুঃসাধ্য। কিন্তু সে এই দুঃসাধ্য কাজটি সম্পন্ন করেছে ওই কঠিন বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে, ওই পরিবেশের সাথে নিজেকে গধঃপয এবং অফলঁংঃ করে। নার্ভাস না হয়ে পরিবেশটিকে সে বোঝার চেষ্টা করেছে, পরিবেশ ও প্রকৃতির সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে। এজন্য প্রকৃতিও তাকে সাহায্য করেছে টিকে থাকার স্থিরতায় ও নিশ্চয়তায়। অস্থির মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি কাজ করে না, তার ইৎধরহ ভৎবয়ঁবহপু ওঠানামা করতে থাকে বলে ধীরস্থির প্রকৃতির সাহায্য লাভে ব্যর্থ হয়।
রেশমার এই মৃত্যুঞ্জয়ীর ঘটনা থেকে অনেক কিছুই শেখার আছে। একজন সাধারণ গার্মেন্ট শ্রমিক পুরো বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে- কীভাবে পজিটিভ চিন্তা, দৃঢ় মনোবল, অসীম ধৈর্য ও সাহস, গধঃপযরহম পধঢ়ধপরঃু বা অফলঁংঃসবহঃ পধঢ়ধপরঃু মানুষকে চরম প্রতিকূল অবস্থায়ও বাঁচিয়ে রাখতে পারে। রেশমা বাঁচার প্রত্যাশা ধরে রেখেছে সর্বক্ষণ; স্রষ্টার ওপর ও নিজের প্রতি বিশ্বাস-ধৈর্য ও সাহস ধরে রেখেছে। ফলে তার মৃত্যুজয় আমাদের কাছে অলৌকিক মনে হলেও তার কাছে বাস্তবতা মাত্র। এটি তার চিন্তাশক্তির ফসল; তার সুদৃঢ় ইচ্ছা, ধৈর্য ও পজিটিভ এটিচিউডের পুরস্কার। তাই মানসিক শক্তির পরীক্ষায় সর্বাধিক সফল রেশমা এখন আর সাধারণ মানুষ নয়, বিশেষ মানুষ।
অস্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে ৪ শিশুর জন্মদান
অস্ত্রোপচার ছাড়াই চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক গৃহবধূ -এ খবরটি পত্রিকান্তরে ৬ অক্টোবর ২০১০ তারিখে প্রকাশিত। এদের মধ্যে ৩ জনের ওজন ১ কেজি। চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী শারমিন বেগম (২৬) এ ৪ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। শারমিন এর আগেও দু’বার দু’টি করে যমজ শিশুর জন্ম দিয়েছেন। মানসিক শক্তিতে দুর্বলরা ১ সন্তান প্রসবেই যেখানে কাবু হয়ে যান এবং ডাক্তারকে অস্ত্রোপচারে অনুরোধ করতে থাকেন, সেখানে দু’বারে দু’টি করে শিশু এবং একবারে ৪টি শিশুর জন্ম দিয়েছেন যে শারমিন, তিনি আসলেই মানসিক শক্তির জন্য স্যালুট পাবার যোগ্য।
একসঙ্গে ৯ সন্তান!
একসঙ্গে ৯ সন্তান গর্ভে ধারণ করে অনন্য রেকর্ডের অধিকারী হয়েছেন মেক্সিকোর কার্লা ভানেজা পেরেজ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কার্লা ভানেজার গর্ভে ছয়টি মেয়ে ও তিনটি ছেলে শিশু রয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, সন্তান ধারণ করার জন্য বিশেষ চিকিৎসা নিয়েছিলেন কার্লা ভানেজা। আর এ কারণেই তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ননুপেট জটিলতার (একসঙ্গে ৯ শিশু গর্ভধারণ) মুখোমুখি হলেন। প্রিয় পাঠক, এক সন্তান গর্ভে ধারণেই যেখানে মেয়েরা শারীরিক ও মানসিকভাবে কাবু হয়ে যায়, সেখানে একইসাথে ৯টি সন্তান! কতটা মানসিক শক্তিসম্পন্ন এই মা, যিনি তার গর্ভে ৯টি সন্তানের বেড়ে ওঠাকে স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন।
ম্যারাথন দৌড় শেষেই সন্তান প্রসব
২৭ বছরের মার্কিন নারী অ্যামবার মিলার ২৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অংশ নিয়েছিলেন শিকাগো ম্যারাথনে। ৪২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ দৌড় শেষ করার কিছুক্ষণের মধ্যে সন্তান জন্ম দেয়ার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। সাড়ে তিন কেজি ওজনের ফুটফুটে শিশু কন্যার মা হয়েছেন তিনি। একজন অন্তঃসত্ত্বার কী ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার, তা জেনেও ম্যারাথনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন অ্যামবার মিলার। তার মনের দৃঢ়তার কাছে হার মেনে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক পরামর্শ দেন ৪২.১৬ কিলোমিটার ম্যারাথনের অর্ধেক হেঁটে এবং অর্ধেক দৌড়ে পার হতে। যথাযথভাবে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করে কিছুক্ষণের মধ্যেই জন্ম দিয়েছেন এক কন্যা শিশুর। ২৭ বছর বয়সী মিলার এবার অষ্টমবারের মতো ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড সময় বেশি লাগে তার। অ্যামবার বলেন- আমি যখন দৌড়াচ্ছিলাম, তখন এগিয়ে যাও অন্তঃসত্ত্বা নারী বলে অনেকে আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। তিনি আরও জানান- দৌড় শেষ করার মাত্র কয়েক মিনিট পর টের পেয়েছিলেন, কী ঘটতে যাচ্ছে। স্যান্ডউইচের পর্ব শেষ করেই তিনি হাসপাতালে চলে যান।
উড়োজাহাজের টয়লেটে নবজাতক!
ফিলিপাইনের প্রধান বিমান বন্দরে ১২ সেপ্টেম্বর ২০১০ যাত্রীবাহী এক উড়োজাহাজের টয়লেটে সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি শিশু পাওয়া গিয়েছে। টয়লেট পরিষ্কার করতে গিয়ে ক্লিনাররা পরিত্যক্ত অবস্থায় সেখানে ঐ নবজাতককে পান। তারা দ্রুত বিমান বন্দরের চিকিৎসকদের খবর দিলে বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাহরাইন থেকে ছেড়ে আসা গালফ এয়ারের ফ্লাইট ম্যানিলায় অবতরণ করার পর ঐ অবাক করা কা- ঘটেছে। উড়োজাহাজের টয়লেটে পাওয়া শিশুটিকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নবজাতক সুস্থ অবস্থায় রয়েছে এবং তাকে সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। জন্মদাত্রী মা কোন্্ দুর্বল বা সবল জাতির সদস্য, তা জানতে পারিনি। তবে বোঝার বা বিস্ময়ের বিষয় হিসেবে আমার বিবেকে প্রশ্ন জেগেছে যে- এই মা একদিকে কতবেশি পাপিষ্ঠ, আরেকদিকে কতবেশি মানসিক শক্তিধর! যিনি অতীব প্রাকৃতিকভাবে, অনায়াসে, নীরবে-নিভৃতে সন্তান প্রসবের মতো একটি সুকঠিন কাজ অন্য কারুর সাহায্য ছাড়াই সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন; অন্যদিকে ঔরসজাত সন্তানকে উড়োজাহাজের টয়লেটে ফেলে রেখে চলে যেতেও পেরেছেন। নারীমাত্রই যে সর্বদা আমাদের মমতাময়ী মা-বোনের মতো, তা নয় কিন্তু!
৭২ বছর বয়সেও মাতৃত্ব সম্ভব
মাতৃত্ব; ছোট্ট এ শব্দের পরিধি ও গভীরতা বিশাল। মাতৃত্ব যেন এক সীমাহীন পথ। আর এ পথ ৭২ বছর বয়সে এসেও যেন শেষ করতে পারেননি রোমানিয়ার অদ্রিয়ানা ইলিয়েস্কু। ২০০৫ সালে ৬৬ বছর বয়সে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়ে পৃথিবীর বয়স্কতম মায়ের রেকর্ড করেন তিনি। মাতৃত্বের অতল তলের সন্ধানে তিনি আরো একটি সন্তান চাইছেন এ বয়সে এসেও! অদ্রিয়ানা জানিয়েছেন, তার কন্যাসন্তান এলিজা’র বয়স এখন ৫ বছর। এলিজা’র সঙ্গে তার সম্পর্ক এতই গভীর ও চমৎকার যে, নতুন মাতৃত্বের প্রতি তার আবারও দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। অদ্রিয়ানা বলেন, আমার অর্ধেক বয়সীদের চেয়েও আমি অনেক বেশি সমর্থ ও সুস্থ। নিজেকে ২৭ বছর বয়সীদের মতো শক্ত-সমর্থ মনে হয়। কখনো খুব ক্লান্ত হয়ে গেলে মনে হয় ৩৭ বছর, এর বেশি নয়; আমি ধূমপান করি না, মদ্যপান করি না, ভালোর চর্চা করি। তাই আমি সুস্থ আছি।
গ্যাসোলিন খেয়ে ৪২ বছর
যানবাহন চালানোর জন্য যে গ্যাসোলিন ব্যবহৃত হয়, তা-ই ৪২ বছর ধরে পান করে চলেছেন চীনের চেন দেজুন। দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের নানচুয়ান জেলার সুইজিয়াং শহরের এক পাহাড়ের ছোট্ট এক কুঁড়েঘরে বাস করেন ৭১ বছর বয়সী এই চীনা। চোংকিং ইভনিং নিউজ পত্রিকার প্রতিবেদনে জানা যায়, ছোটখাটো শরীরের এই মানুষটি ২৯ বছর বয়সে হঠাৎ কাশি ও বুকে ব্যথা অনুভব করেন। ঔষধ খেয়ে কোনো ফল না পেয়ে ব্যথা দূর হবে -এই ভেবে তিনি কেরোসিন পান করতে শুরু করেন। প্রথম চুমুকেই কাজ। সেই কেরোসিন পান করা শুরুর পর একসময় শুরু করেন গ্যাসোলিন পান। এখন তিনি প্রতিমাসে তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার গ্যাসোলিন পান করেন। সংবাদ মাধ্যমের এক হিসাবে, এ পর্যন্ত প্রায় দেড় টন গ্যাসোলিন পান করেছেন চেন। হে পাঠক, এ লেখা পড়ে আপনিও ব্যথার জন্য গ্যাসোলিন খেতে চাচ্ছেন? আমি কিন্তু খাব না, বরং আপনাকেসহ আমার সংশ্লিষ্টদেরকে এরূপ অখাদ্য খেতে বারণ করব। তবে হ্যাঁ, আপনিও যদি চীনের চেন এর মতাবলম্বী হয়ে গ্যাসোলিনে আপনার ব্যথামুক্তির অথবা সর্বমুক্তির বার্তা পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটিতো আপনার জগৎ, আপনার বিশ্বাস। এবং তাতে যে আপনার কোনো কাজ হবে না, তাও আমি বিশ্বাস করি না। বরং আমি বিশ্বাস করি- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। তাছাড়া মানব স্বাধীনতার এমন কৌশলেও আমার বিশ্বাস- You are in command by yourself, you can do & undo thing. যেহেতু এ মহাবিশ্বের আপনিও এক মহাবিস্ময়, সেহেতু চাইলে আপনি পারেন না, এমন কিছু নেই।
মনের রোগেও শরীরে ব্যথা হয়, তাই
মানসিক শক্তি দিয়ে শরীরের ব্যথা দূর

শারীরিক ব্যথা নিয়ে রোগীরা প্রায়ই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়। কিন্তু যখন ব্যথার কারণ হিসেবে আঘাতজনিত সমস্যা, স্নায়বিক সমস্যা, অস্থি-মাংসপেশির সমস্যা বা কোনো কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি ব্যথাকে ‘ব্যথারোগ’ বলা হয়, যা একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। সাধারণত এ রোগে মাথা, পেট, বুক ও হাত-পাসহ শরীরের যেকোনো স্থানে মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার ব্যথা অনুভূত হয়ে থাকে। মনো-সামাজিক কারণে এ রোগের উৎপত্তি, যা তীব্রতা ও দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং যা প্রকৃতপক্ষে শরীর ও মনের নিবিড় সম্পর্কের যোগসূত্রকেই নির্দেশ করে। এ ধরনের রোগীরা আস্থাহীনতার কারণে অথবা সুচিকিৎসার অভাবে বারবার চিকিৎসক বদল করেন, তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য চিকিৎসা খরচ বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পায় ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অহেতুক চাপ সৃষ্টি হয়। নারীরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়; এ রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও বংশগত প্রভাব, শারীরিক-মানসিক ও যৌন নির্যাতন, পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহ, আর্থ-সামাজিক দুরবস্থা ও অনগ্রসরতার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এ ধরনের রোগীর দুই-তৃতীয়াংশের অন্যান্য মানসিক রোগ যেমন- বিষণœতা, উদ্বেগ, আতঙ্ক, মাদকাসক্তি ও ব্যক্তিত্বের সমস্যাসহ বিভিন্ন মনোদৈহিক সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ঔষধ সেবনে কিডনির রোগ ও ব্যথানাশকে আসক্তি হয়ে থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের ঔষধ ব্যথা কমাতে পারে না। রোগীর মনো-সামাজিক ও শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত ইতিহাস, পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসা আরম্ভ করতে হয়। অর্থাৎ যথাযথ ও পরিপূর্ণ মানসিক শক্তিই এ ধরনের মানসিক রোগ ও ব্যথা দূর করতে সক্ষম। -চলবে।


আরো সংবাদ

শিশু ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যা

img img img

আর্কাইভ